চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেছেন, ‘ একটা মশা লাখ লাখ মশা তৈরী করে। তারা খুব দ্রুতই বড় হয়, যেহেতু তাদের আয়ুস্কাল কম। লার্ভা নিধন রোধে পৌরসভার কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। নিজ বাড়ির ছাদে লার্ভা তৈরি যেন না হয় সে ব্যবাপারে সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। ’
বুধবার ৩০ অক্টোবর সকালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় সভায় উপস্থিত ইমাম ও পুরোহিতদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ আমরা জানি প্রতিদিনই ইমাম বা পুরোহিতদের সামনে বিভিন্ন মানুষের সাথে দেখা হয়। আপনাদের সামনে একটা পরিবারের সকলে না আসলেও পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আসেন। পরিবারের প্রধানকে যদি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করি তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করা যাবে। আপনারা মসজিদ-মন্দিরগুলোতে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক বক্তব্য দিবেন। ‘
লঞ্চঘাটের প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক পৌরসভাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, লঞ্চঘাটের দিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ওষুধ ছিটিয়ে দিতে হবে এবং বিশেষ নজর দিতে হবে।
জেলা প্রশাসক আরো বলেন,‘ ডেঙ্গু মশা এখন সবসময়ই কামড়ায়। দিনে কম হলেও রাতে বেশি বিচরণ করে। জ্বর হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে ভয় থাকে না। ‘

জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো.হেদায়েত উল্ল্যাহ এর সঞ্চালনায় স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক মো.গোলাম জাকারিয়া, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীন,জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াসির আরাফাতসহ সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরের ইমাম-পুরোহিতরা উপস্থিত ছিলেন।
সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জ রিপোর্ট
৩১ অক্টোবর ২০২৪
এজি
সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জ অনলাইন পত্রিকা