রাতভর বিপুল সংখ্যক মুসলির উপস্থিতিতেø হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে সমবেত হয়ে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল রাখতে নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
মসজিদের মোতওয়াল্লী প্রিন্স শাকিল আহমেদ বলেন, ‘ হিজরি বষের্ শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি মুসলিম উম্মাহ পবিত্র শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করা হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্যে এ রাত ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবে পরিচিত। মহান আল্লাহতায়ালার রহমত লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমান নর-নারীরগণ যার যার ঘরেও রাতভর মগ্ন থাকতে পারেন ইবাদত বন্দেগিতে। সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে সওয়াব হাসিল আর গুনাহ্ থেকে পানাহ্ চাওয়ার রাত হিসেবে শবে বরাতের মর্যাদা অতুলনীয়। তাই এ নফল ইবাদত,কোরআন তেলাওয়াত,ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আসকার, কবর জিয়ারত আর বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফজিলতের এ রাত পালন করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ । পবিত্র শবে বরাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক ওয়াজ মাহফিলও অনুষ্ঠিত হয় মসজিদে মসজিদে। ’
তিনি আরোও বলেন,‘ হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে নিরবচ্ছিন্ন অজুর পানি, পয়: নিষ্কাশন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা,পর্যাপ্ত লাইটিংসহ আলোর ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা রয়েছে। সারারাত মসজিদ উম্মুক্ত ও মধ্যরাতে থাকবে বিশেষ বয়ান ও জিকির –আসকার ও পবিত্র কোরআন তেলায়েতের সুযোগ রয়েছে। ’
প্রখ্যাত আলেম ও খতিব মুফতি আবদুর রউফ বলেন, ‘মহান আল্লাহর করুণা চাওয়ার মহিমান্বিত রাত পবিত্র শবে বরাত। শবে বরাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ তাৎপর্যময় রজনী। এ রাতে মহান আল্লাহতায়ালা তার রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করে দেন। পাপী বান্দাদের উদারচিত্তে ক্ষমা করেন, জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন-এ জন্য এ রাতকে শবে বরাত বলা হয়। ‘শবে বরাত’ ফার্সি ভাষার দু’টি শব্দ। ফার্সিতে ‘শব’ মানে রাত আর ‘বরাত’ মানে মুক্তি। সুতরাং ‘শবে বরাত’ এর অর্থ হলো মুক্তির রাত। হাদিসে রয়েছে- লাইলাতুন নিসফি মিন শা’বান বা মধ্য শা’বানের রজনী। অর্থাৎ শা’বান মাসের ১৪ তারিখ সন্ধ্যার পর যে রাত সেটাই শবে বরাত।’
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
এজি

সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জ অনলাইন পত্রিকা