Friday , 2 October 2026
minar-

হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের খতিব’র পবিত্র মাহে রমজানের আহবান

হাজীগঞ্জ আহমদিয়া দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ,ওয়াকীফ ও মোতওয়াল্লী আলহাজ্ব আহমদ আলী পাটোয়ারী রহ.’র এস্টেটের আওতাধীন হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের খতিব মুফতি মো.আবদুর রউফ পবিত্র মাহে রমজানের আহবান জানিয়ে বলেন ,‘পবিত্র মাহে রমজান আমাদের মাঝে সমাগম। রমজানে মহান আল্লাহ তা’য়ালার রহমত লাভে মহানবী (সা.) বলেছেন,‘মাহে রমজান এমন এক মাস-যার প্রথম ১০ দিন আল্লাহর রহমতে ভরপুর থাকে। মধ্যবর্তী ১০ দিন ক্ষমার জন্য নির্ধারিত এবং শেষ ১০ দিন জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বরাদ্দ রেখেন।

রমজানকে মহান আল্লাহ তা’য়ালা মুমিনদের জন্য অনেক নেয়ামত দ্বারা সমৃদ্ধি করেছেন। রহমতের ১০ দিনে তিনি আমাদের বরকত ও প্রাচুর্য দিয়ে অভিবাদন জানিয়েছেন। মহান আল্লাহ তা’আলা বান্দাদের এ মাসের সিয়াম সাধনা ও এবাদত বন্দেগী নিয়ে ফেরেস্তাদের নিকট গর্ব করে। রমজান হলো-কোরআন নাজিলের মাস। এ মাসের দিবস-রজনীকে আল্লাহ তা’য়ালা খায়ের ও বরকত দ্বারা পূর্ণ করে রেখেছেন। তাকওয়া অর্জনের অনুশীলনের জন্য এবং ইবাদত-বন্দেগী ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সব আমলের জন্য আল্লাহ তা’য়ালা ভরা বসন্ত বানিয়েছেন রমজান মাসকে। এ মাস শুধু একটি মাসই নয় ; বরং গোটা বছরের এটা তাপ কেন্দ্র। এ মাস থেকেই মুমিন গোটা বছরের তাকওয়া-তাহারাতের সঞ্চয় গ্রহণ করে। পুরো বছরের ঈমানি প্রস্তুতি মুমিনগণ এ মাস থেকেই গ্রহণ করে।’

তিনি আরো বলেন,‘ আমাদের সকল মমিন মুসলমানদের কর্তব্য হলো- বেশি বেশি কোরাআন তেলায়েত ও এবাদত-বন্দেগী করা। সকল মিথ্যা, অনাচার,জুলুম, হঠকারিতা, অপবাদ, গিবত এবং অসামাজিক কার্যকলাপের মত পাপাচার বর্জন করা। সর্বদা পাক-পবিত্র অবস্থায় দিনের কাজ-কর্ম সম্পাদন করা। প্রতিটি জুমাসহ ৫ ওয়াক্ত নামাজ যত্ন সহকারে আদায় করা। আসুন- আমরা সবাই এ মাসকে তাকওয়া অর্জনের মাস হিসেবে গ্রহণ করি। এ জন্য আমাদের উচিত- রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করা। রমজানুল মোবারক বান্দার জন্য আল্লাহ তা’য়ালার অনেক বড় নেয়ামত। ’

অন্য এক প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘এ মসজিদে যাবতীয় আমলের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্যে মসজিদ কর্তৃপক্ষ এবং সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ নিরলসভাবে তাঁদের চেষ্টা অব্যাহত রেখে চলছেন। তারাবীহ নামাজ আদায়ে খতমে তারাবীহ ইফার নির্দেশিত নিয়মে-প্রথম ৭ দিন ‘দেড় পারা ’করে পবিত্র কোরআনের সুরাসহ আয়াত পাঠান্তে এবং পরবর্তীতে ‘ ১ পারা ’করে পড়া হবে। মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্ত মতে-প্রতিদিন রাত ৮.১৫ মিনিটে জামায়াত শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আমরা ৩ জন ইমাম ও খতিব দিন ভাগ করে তারাবীহ নামাজ পড়ানোর জন্যে প্রস্ততি ও যথাযথ উদ্যোগ নিয়েছি।’

মুফতি মো.আবদুর রউফ
খতিব, হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ ও
মোহতামিম,জামিয়া আহমাদিয়া কাওমী মাদ্রাসা
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর ।

এছাড়াও দেখুন

poura

হাজীগঞ্জ পৌরসভা জেলার অন্যতম প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা

হাজীগঞ্জ পৌরসভা বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা। ইহা প্রতিষ্ঠালাভ করে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *