May 11, 2021, 12:35 pm


ছোট স্ত্রীর সঙ্গে বেশি সময় কাটাতেন মামুনুল: পুলিশ

সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জ:

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিন বিয়ের কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন মামুনুল হক। পুলিশ কর্মকর্তাদের তিনি বলেছেন, ছোট স্ত্রীর সঙ্গে তিনি বেশি সময় কাটাতেন। তবে তাকে কবে বিয়ে করেছেন সে ব্যাপারে কোনো কথা বলেননি।

তিন বিয়ের মধ্যে শুধু প্রথম বিয়ের কাবিন আছে, পরের দুই বিয়ের কাবিন নেই বলে পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন।

এদিকে মামুনুলকে গ্রেফতারের পর তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার হারুন অর রশিদ রোববার রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, মামুনুল তিনটি বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন।এই তিনটি বিয়ের মধ্যে একটির কাবিন করেছেন। বাকি দুইটির কাবিননামা করেননি বলে মামুনুল বলেছেন।

তদন্তে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, তিন স্ত্রীর মধ্যে জান্নাতুল ফেরদৌস লিপি তার ছোট স্ত্রী। মেঝ স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণা এবং বড় বা প্রথম স্ত্রী আমেনা তৈয়বা। মেঝো ও ছোট স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের কোনো কাবিননামা হয়নি বলে মামুনুল তাদের বলেছেন।

রোববার দুপুরে মামুনুলকে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতারের পর রাতে তদন্ত কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এদিকে রিসোর্টে মামুনুলের সঙ্গে থাকা দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণা এবং তৃতীয় স্ত্রী লিপি মোহাম্মদপুরে অবস্থান করছেন বলে গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে।

তারা নজরদারির মধ্যে আছে জানিয়ে সংশিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, প্রয়োজনে তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

ওই সূত্র বলছে, মামুনুলের প্রথম স্ত্রী আমেনা তৈয়বার বাসাও মোহাম্মদপুরে। তবে রিসোর্টকাণ্ডের পর সন্তানদের নিয়ে তিনি বাসা ছেড়েছেন। কোথায় গেছেন পুলিশ এখনও তা জানতে পারেনি।

মোহাম্মদপুর থানায় গত বছর দায়ের করা একটি মামলায় হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার সকাল ১১টার দিকে মামুনুল হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মোহাম্মদপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. সাজেদুল হক।

রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী।

২০২০ সালের মার্চে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠনের কর্মীদের ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


সংবাদ পড়তে লাইক দিন ফেসবুক পেজে