Tuesday , 7 January 2025
hajj----

কাবাঘর তাওয়াফ করার নিয়ম

পবিত্র কাবাঘর সাতবার প্রদক্ষিণ করাকে তাওয়াফ বলা হয়। হজ বা ওমরাহকারী তওয়াফ করার নিয়ত করলে প্রথমেই মসজিদুল হারামে ডান পা দিয়ে প্রবেশের দোয়া পড়বেন। এরপর তাওয়াফ শুরু করার জন্য হাজরে আসওয়াদের দিকে এগিয়ে যাবেন। ডান হাত দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করবেন এবং চুমু খাবেন। যদি হাজরে আসওয়াদে চুমু খেতে না পারেন, হাত দিয়ে স্পর্শ করবেন এবং হাতে চুমু খাবেন।

যদি হাত দিয়ে স্পর্শ করতে না পারেন, তাহলে হাজরে আসওয়াদের দিকে মুখ করে হাত দিয়ে ইশারা করবেন এবং তাকবির বলবেন; কিন্তু হাতে চুমু খাবেন না। এরপর ডান দিক ধরে চলতে থাকবেন। পবিত্র কাবাঘরকে বাম দিকে রাখবেন। যখন রুকনে ইয়ামেনিতে (হাজরে আসওয়াদের পর তৃতীয় কর্নার) পৌঁছাবেন, তখন সেই কর্নার শুধু স্পর্শ করবেন। যদি স্পর্শ করা সম্ভব না হয়, তাহলে তাওয়াফ চালিয়ে যাবেন।

হাজরে আসওয়াদের দিকে অগ্রসর হতে হতে এ দোয়া পড়বেন:‘রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়াক্বিনা আজাবান নার।’ অর্থ: হে আমাদের রব,দুনিয়ায় আমাদের কল্যাণ দান করুন । আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদের জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করুন।

(আবু দাউদ) যখনই হাজরে আসওয়াদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবেন,তখন হাজরে আসওয়াদ অভিমুখী হয়ে তাকবির বলবেন। তাওয়াফের অন্য অংশে যা কিছু খুশি জিকির,দোয়া ও কোরআন তিলাওয়াত করবেন।

তাওয়াফের মধ্যে পুরুষদের দুটি জিনিস করতে হয়। এক. তাওয়াফের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ইজতেবা করা। ইজতেবা মানে ডান কাঁধ খালি রেখে চাদরের মাঝের অংশ বগলের নিচ দিয়ে এনে চাদরের পাশ বাম কাঁধের ওপর ফেলে দেয়া।

তাওয়াফ শেষ করার পর চাদর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া। দুই.তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে রমল করা। রমল মানে ছোট ছোট পদক্ষেপে দ্রুত হাঁটা। আর বাকি চার চক্করে রমল নেই বিধায় স্বাভাবিক গতিতে হাঁটা।

১৩ মে ২০২৪
এজি

এছাড়াও দেখুন

haj

হজের প্রাথমিক নিবন্ধন ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে

হজের প্রাথমিক নিবন্ধন ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। বুধবার ২৩ অক্টোবর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-১ অধিশাখার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *