Tuesday , 25 June 2024

হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ রমজানের প্রথম জুমায় ছিল কানায় কানায় পূর্ণ

পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম জুমা ছিল আজ ১৫ মার্চ। হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ । সকাল থেকেই শত শত মুসল্লীগণ মসজিদের সামনের সারিগুলোতে অবস্থান নেয়। রহমতের দশকের চতুর্থ রোজায়
পড়েছে বরকতময় এ জুমা।

দিনটির বিশেষ গুরুত্ব কোরআন হাদিসে এসেছে। নামাজ আদায় করারমত মনোরম পরিবেশ বিদ্যমান থাকায় হাজার হাজার মুমিন মুসলমানগণ স্বাচ্ছন্দ্যভাবে নামাজ আদায় করা গেছে । সাউন্ড সিস্টেম ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত থাকায় নামাজ আদায় খুবই স্বস্থিবোধ করেছে মুসল্লিগণ। আযানের পর পর তিনি পুরো মসজিদ এর উভয়তলায় ও মসজিদের সামিয়ানা টানানোসহ সবগুলো ওযুখানা পরিদর্শন করেন এবং সামান্য ব্যত্যয় দেখামাত্র তা সমাধানে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দৃষ্ঠিগোচর করাতে দেখা গেছে ।

হাজীগঞ্জের আহমদ আলী পাটওয়ারী(রহ.)ওয়াকফ এ্যাস্টেট কর্তৃক পরিচালিত হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে মাহে রমজান উপলক্ষে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে প্রতিবছরের ন্যায় বেশ কদিন আগে থেকেই মসজিদের মোতোয়াল্লি বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী প্রিন্স শাকিল আহমদ মসজিদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার বিষয়টি সরাসারি মনিটরিং করে আসছেন ।

তিনি বলেন,‘এ মসজিদের প্রায় ২৮ হাজার বর্গফিট গ্রাউন্ডফ্লোর, মসজিদের আঙ্গিনা ও সম্মুখভাগ, ওযুখানা, বিশেষভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায়, তারাবীহ নামাজ ও অন্যান্য এবাদত-বন্দিগী করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বেশ কদিন আগেই । মসজিদের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের সমন্বিতভাবে এ কাজে অংশগ্রহণ করেছে।

বেশ কদিন আগেই জুমার দিনের জন্যে মুসল্লিদের সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে নামাজ আদায় করতে মসজিদ কমপ্লেক্সসহ প্রাঙ্গণে প্রয়োজনীয় কাপড়ের দস্তর বিছানোর ব্যবস্থা রাখা ও সামিয়ানা টানানো,পর্যাপ্ত ওযুরস্থান ব্যবস্থাকরণে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। রমজান মাসে রাতভর এবাদতের জন্যে নিরবিচ্চিন্ন বিদ্্যুৎব্যবস্থা ও রাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ জোরদার করা হয়েছে।

নামাজ ও আযানের সাইন্ডসিস্টেম বজায় রাখা, ওয়াশব্লক সম্পুর্ণ পরিস্কার-পরিছন্নতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ,মহিলাদের নামাজ আদায়ে প্রয়োজনীয় পর্দাসহ ওযুর ব্যবস্থা রাখার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে ।‘

জুমার খুদবা শুনান ও নামাজ পড়ান হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুর রউফ ।

প্রসঙ্গত:জুমার গুরুত্ব সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,‘হে মুমিনরা! জুমার দিন যখন নামাজের আজান দেয়া হয়,তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে এসো এবং বেচাকেনা বন্ধ করো,এটা তোমাদের জন্য উত্তম,যদি তোমরা বুঝ।

এরপর নামাজ শেষ হলে জমিনে ছড়িয়ে পড়ো, আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) তালাশ করো এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো যাতে তোমরা সফলকাম হও।’(সূরা জুমা,(৬২),আয়াত, ৯-১০)। বিভিন্ন হাদিসে জুমার দিনের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। এখানে জুমার দিনের ফজিলত সম্পর্কিত চারটি হাদিস তুলে ধরা হলো :

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত যে,রাসূল (সা.) ইরশাদ করেনঃ সূর্য উদিত হয় এমন সকল দিনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হ’ল জুমু’আর দিন।

এ দিনেই আদম (আ.)কে সৃষ্টি করা হয়েছে।

এদিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করান হয়।

এ দিনেই তাঁকে তা থেকে বের করা হয়।

আর এ জুমুআর দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। সহিহাহ ১৫০২, সহিহ আবু দাউদ ৯৬১, মুসলিম, তা’লীক সহিহ ইবনু
খুজাইমাহ ৩/১১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী] সংগৃহীত ।

আবদুল গনি
১৫ মার্চ ২০২৪
এজি

এছাড়াও দেখুন

Prince

সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জ‘র সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতির ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

ঈদ মোবারক। আগামি ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৭ জুন ২০২৪ এবং ১০ জিলহজ্জ ১৪৪৫ হিজরি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *