Monday , 17 June 2024
polution --

নদী দখল-দূষণ রোধে ব্যবস্থা নিন

নদী বাঁচাতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ঘাষণা করেছে; কিন্তু ভালুকার খীরু নদী রক্ষায় প্রশাসন কী ভূমিকা রাখছে সেই প্রশ্ন উঠেছে। ভালুকা, ভরাডোবা ও হবিরবাড়ী এলাকার অনেক কারখানার দূষিত পানি নদীর পানিতে মিশছে। এতে একদিকে যেমন মানুষের স্বাস্থ্য বিপর্যয় ঘটছে, অন্যদিকে বিনষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। স্থানীয় প্রভাবশালীরা নানাভাবে নদী দখল করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নদীটিকে দখল ও দূষণের কবল থেকে রক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

নদী দখল-দূষণের এটা একটা উদাহরণমাত্র। এমন নদী ধ্বংসের মতো অপকর্ম শুধু ভালুকায় নয়, সারা দেশে ঘটে। পরিবেশবাদীরা এ নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রতিবাদ জানান। কিন্তু সেটার সুফল মেলে না। দেশের বহু নদ-নদী মানুষের ফেলা বর্জ্যরে কারণে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। সময়মতো নদী খননের ব্যবস্থা না নেয়ার ফলে সেসব নদ-নদী মরে গেছে।

নদীর অবদান অনস্বীকার্য। নদী কৃষির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। আমাদের জীবনযাত্রায় মুখ্য ভূমিকা রাখে নদী। ভালুকার খীরু নদীটিকে বাঁচাতে হবে। নদীটি ছিল এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকার আধার। কারখানার দূষিত বর্জ্য মিশে ও বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করার অর্থ হলো নদীকে হত্যা করা। যারা এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত,তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

নদীখেকো ও পরিবেশ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে সরকার আইনও করেছে। এসব অপকর্মে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানা করার বিধানও রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে- ভালুকার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নদী ও পরিবেশ ধ্বংসের অপকর্মে যারা লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না? ভালুকার খীরু নদী দখল ও দূষণে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, এটা আমরা দেখতে চাই।

কলকারখানা থেকে নির্গত দূষিত পানি ‘ইটিপি’ প্লান্টের মাধ্যমে সঞ্চালন ও পরিশোধন করা যায়। এর সাহায্যে প্রযুক্তিগত পদ্ধতিতে পানির বর্জ্য উপাদানগুলো পরিষ্কার করা হয়। আর এটা করা হলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে।

৪ জনুয়ারি ২০২৪
এজি

এছাড়াও দেখুন

sleeping

শিশুর ঘুমের সমস্যা কাটাতে কী করবেন

বড়দের পাশাপাশি শিশুদের ঘুমের ব্যাপারটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। ভালো ঘুম না …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *