July 6, 2020, 12:52 pm


ছবিটি হাজীগঞ্জের গন্ধ্যর্বপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন থেকে তুলেছেন আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি গাজী মইন উদ্দীন

সরকারের ধান-চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অনিশ্চয়তা

সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জ ডেস্ক:

এবারের বোরো মৌসুমে প্রায় ২০ লাখ টন ধানচাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল সরকার। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এ অর্জন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। গত দুই মাসের সংগ্রহ চিত্রে এই সংশয় আরো বেড়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে লাখ টন ধান এবং ১০ লাখ টন সিদ্ধ চাল দেড় লাখ টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে গত দুই মাসে মাত্র ৩২ হাজার টনের মতো বোরো ধান ৫৭ হাজার টনের মতো চাল কিনতে পেরেছে সরকার

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা পরিধারণ ইউনিটের সর্বশেষ (১৮ জুনের) খাদ্যশস্য সংগ্রহের নথি থেকে তথ্য জানা গেছে। অবশ্য খাদ্য বিভাগ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথম দিকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ কমই হয়। শেষের দিকে দ্রুত সংগ্রহের মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়ে যায়।
গত ২৬ এপ্রিল থেকে কেনা শুরু হয়েছে বোরো ধান। মে থেকে শুরু হয়েছে চাল সংগ্রহ। ধানচাল সংগ্রহ শেষ হবে ৩১ আগস্ট। খাদ্য পরিকল্পনা পরিধারণ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বোরো মৌসুমে ২৬ টাকা কেজি দরে ধান, ৩৬ টাকা কেজি দরে সিদ্ধ চাল, ৩৫ টাকা কেজি দরে আতপ চাল কেনা হচ্ছে

  কৃষকের উৎপাদিত শস্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণসহ খাদ্যশস্যের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা, নিরাপত্তা মজুত গড়ে তোলা ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতি মৌসুমে সরকারিভাবে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়। বোরো সংগ্রহের ইতিহাসে এবারই সরকারিভাবে সর্বোচ্চ পরিমাণ ধান কেনা হচ্ছে। বোরোর ধানচাল কেনার লক্ষ্য অর্জন সফল করতে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহায়তা চেয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়

বছর বোরো মৌসুমে খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বিষয়ে খাদ্য সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, কৃষি ¤প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করে খাদ্য অধিদপ্তরের উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর এবং ইউনিয়নওয়ারী লটারির মাধ্যমে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে। কোনো ক্রমেই যেন কৃষক নন এমন ব্যক্তির নাম তালিকাভুক্ত না হয় এবং কৃষক ছাড়া অন্য কোনো মধ্যস্বত্বভোগী যেন সরকারি গুদামে ধান সরবরাহ না করতে পারে সে বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে

এবারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথম দিকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ কমই হয়। এছাড়া ঈদ করোনা থাকায় ধানচাল সেভাবে সংগ্রহ হয়নি। শেষের দিকে অল্পসময়ের মধ্যে দ্রুত সংগ্রহের মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


সংবাদ পড়তে লাইক দিন ফেসবুক পেজে